Make a blog

chtblog

2 years ago

কাজ দেওয়া নয়.. বরংচ পাচার করে নেওয়ায় এদের আসল কাজ

সম্প্রতি হংকং এ জবকে নিয়ে পুরো সোস্যাল মিডিয়া তোলপাড় হয়ে গেছে। আসলে এ হংকং এ জব মূলক কী? আমরা অনেক চেষ্টা করেছি ওখানে কর্মরত কয়েকজনের সাথে কথা বলতে..কিন্ত ভাল তথ্য পায়নি.. তবে যতটুকু শুনেছি নারী পাচারকারী এ প্রতিষ্ঠান শুধু এ দেশেই নয়, বিভিন্ন দেশ থেকে নারী ও শিশু নারী পাচার করে নিয়ে যাচ্ছে..।। এবার টার্গেটে আমাদের পাহাড়ি নারীর প্রতি.. মোটা অঙ্কের টাকার লোভ দেখিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এদের। সমাজ আর পরিবার তালি দিচ্ছে..আর বলছে যাহ মোটা টাকার দলা পাঠাবি.. কিছু সুশীল ব্যক্তি এর দ্বিমত দিয়েছেন.. আসুন এইসব পাচারকারীর হাত থেকে বাচাই আমাদের জুম্ম নারীদের।
2 years ago

অশান্ত পাহাড়ের চিত্র

পাহাড়ে হয়ত প্রতিনিয়ত শুনে থাকবেন পাহাড়ি নারী ধর্ষণ, গনহত্যা, জমি নিয়ে বিরোধ তারপর সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা। এরপরও আমাদের জুম্ম সমাজ আশা রেখেই চলেছে যে এইসব বন্ধ হবে একদিন না একদিন। এরা সবাই এক মনের মানুষ। বলতে গেলেই সহজসরল। সেই ১৯৭১ সালের দিকে তাকিয়ে দেখলে গা শিউরে ওঠে। মনে মনে বলি সেই অর্জিত স্বাধীনতা কি আজ হারিয়ে যেতে বসেছি? মা হল একটা জাতির প্রতীক। অথচ সেই ৭১ এর আগে যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হয়েছিল সেখানে পাক বাহিনী তাদের দ্বিতীয় অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিল বাঙালি নারীকে ধর্ষণ। আমাদের সেই ৭১ এর মাঝেইই সীমাবদ্ধ রেখেছে। ১৯৯৮ এর দিকে তাকাই এবার ... শান্তিবাহিনী নামক এক বিরল যোদ্ধাদের হাত থেকে কেড়ে নিয়েছিল তাদের স্বাধীনতার অস্ত্র। বলেছিল... তোমাদের অধিকার তোমাদের দেওয়া হবে। অথচ ১৭ বছরেও অধিকার পায়নি.বরং কেড়ে নিয়েছে হাজারো পাহাড়ি নারী। এখানকার নারীরা কোনভাবেই নিরাপদ নয়.. বাড়ি থেকে একটু দুরেও পর্যন্ত বের হতে পারে না,প্রায় সময় নিজের বাড়িতেই পর্যন্ত ধর্ষনের স্বীকার হয়। এ দেশের আইন আমাদের জন্য নেগেটিভ। আমরা কোনদিন বলিনি আমরা দেশ ভাগ করতে চাই... আমরা একটা স্বাধীন পার্বত্য এলাকা গড়তে চাই। নিজেদের ভিটেমাটি ফিরে পেতে চাই। আবার শান্তিবাহিনীদের কেউ কেউ সন্ত্রাসী বলেও আখ্যায়িত করে থাকে। আসলে পাহাড়ে যে সমস্ত অস্থায়ী বাঙালি আছে.. তারা জানে যে শান্তিচুক্তি আসলে কি! আর কেউ কেউ জেনেও না জানার ভান করে গালিগালাজ করে...তাহলে কি সেদিন মুক্তিযোদ্ধারাও সন্ত্রাসী? আপনার উত্তর অবশ্যাই! না ! একটা জাতিকে রক্ষা করতে তাদের পিছনে নিজস্ব বাহিনী রয়েছে।
2 years ago

সবার মন মানসিকতা এক নয়

লেখক ছদ্মনাম :- স্টপ জেনোসাইড এইচএসসি পরীক্ষা শেষ করেই রওনা দিলাম ঢাকার উদ্দেশ্যে। কয়েক ঘন্টা টানা ভ্রমনের পর পৌছলাম ঢাকায়।। শখের গাড়ি বাড়ি সব আছে।। শুধু দেখে থাকা।। কাকা থাকেন ঢাকায়.. নারায়নগঞ্জ বৌদ্ধ বিহারে।। আসলে যা ভেবেছিলাম ঠিক অতটা খারাপ নয় এখানকার মানুষ। আমায় দেখলে বলে ওঠে চাইনিজ। হয়ত এই ভাবে যে আমি বাংলা বলতে পারি না। যখন ষ্পষ্ট বলি তখন অবাক নিয়ে তাকিয়ে থাকে। এখানকার লোকগুলো আমায় জিজ্ঞেস করে আমার ভাষা কি? কোন জাতের মানুষ? সবি বলি আমি। তারপরও আফসোস তাদের. কেন আমাদের নিজস্ব ভাষায় প্রতিষ্ঠান থাকে না। ওরা জানতে চাইই আমাদের নিয়ে। সময়ের টানে কিছুটা বুঝতে পারে। তারপরও ভাল করে চিনে সেই একটা নাম.. সন্তু লারমা।। কি যেন বলাবলি করে চাইনিজ নেতা। আড়ালে হাসি দিই।। দোকানে কয়েকটা মেয়ের সাথে দেখা। আমায় দেখে যেন ছুয়ে দেখতে চাই.. ওদের মাঝে বলাবলি করে কি সুইট.. আমাকে নিয়ে তারা নতুন কিছু ভাবে। খুব মিশুক প্রকৃতির। তারা এই চাই যে আমাদের জাতি সম্পর্কে যেন তাদের বাংলাবইগুলোতে তুলে ধরে। তারা আরো জানতে চাই আমাদের ইতিহাস সম্পর্কে।
2 years ago

হারিয়ে যাচ্ছি আমরা

লেখক ছদ্মনাম:- স্টপ জেনোসাইড। সেই ঐতিহাসিক স্বাক্ষরিত চুক্তির পর থেকে একে একে বিভেদ চলেই আছে। সমসাময়িক পত্রিকা সহ বিভিন্ন চ্যানেল এর খোজ নিয়ে দেখলে এতদিনে হয়ত হাতে গনা দুয়েকটি আঞ্চলিক সংবাদ বাদে আর কিছুই পাওয়া যাবে না। নিজের প্রতি মন মানসিকতা ছোট হয়ে যাচ্ছে! কি এমন একটা জাতে জন্ম নিলাম যে, নিজের ভাষায় পরতে লিখতে বলতেই পারছি না।। সরকারের এই সমস্ত কুচক্র রুখে দাড়াতে হবে।। চাকমা,মারমা,ত্রিপুরা, বম, তঞ্চঙ্গ্যা সহ দশেক জাতিগোষ্ঠী রয়েছি। অথচ পার্বত্য এলাকার বাইরে কোন নতুন জেলায় বা বিভাগে গেলে চাইনিজ বলে আখ্যায়িত করে.. দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আমাদের এই দশেক জাতিগোষ্ঠীরপরিচয় তুলে ধরা উচিত বলে মনে করি।